নারীদের চাকরি–বাকরির ক্ষেত্রে যে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) একাউন্ট থেকে, তা হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ঘটানো হয়েছে- এটি আজ সংবাদ সম্মেলন করে প্রমাণসহ জানিয়েছে জামায়াত। তবে এসব তথ্যপ্রমাণ যদি সোশ্যাল মিডিয়াতেই সময়মতো ও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হতো, তাহলে জনমনে বিভ্রান্তি কমত এবং বিষয়টি আরও বেশি ইফেক্টিভভাবে এড্রেস করা যেত।
নারী ইস্যুতে এমনিতেই জামায়াতকে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হতে হবে- এ বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এই প্রেক্ষাপটে নারীদের কাজ ও কর্মজীবন নিয়ে সমাজে প্রচলিত বাজে, অবমাননাকর ও পশ্চাৎপদ ধারণা থেকে বের হয়ে আসা জরুরি। নারীর কাজের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো একক দলের বিষয় নয়; এটি একটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়।
এক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দলকে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে- নারীরা যেন নিরাপদ পরিবেশে, সম্মানের সঙ্গে এবং কোনো প্রকার হয়রানি বা বৈষম্য ছাড়া কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে পারে। নারীকে নিয়ে রাজনৈতিক পয়েন্ট স্কোরিং নয়, বরং বাস্তব নিরাপত্তা, ন্যায্যতা ও সম্মান নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার মূল লক্ষ্য।