জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইকেল জি. ওল্টজ সহ মার্কিন কর্মকর্তারা খামেনির পূর্ববর্তী দমনপীড়নের কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং বিশ্বনেতাদের এই অনুষ্ঠান বর্জনের আহ্বান জানান।
ওয়াশিংটনের তীব্র কূটনৈতিক চাপের ফলে রাশিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্কের মতো বড় শক্তিগুলো কোনো শীর্ষ রাষ্ট্রপ্রধান না পাঠিয়ে কেবল নিম্ন বা মধ্যম সারির কূটনৈতিক প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। তবে মার্কিন চাপ সত্ত্বেও বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কিউবাসহ বিশ্বের ৪৫টিরও বেশি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা তেহরানের এই বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।
ইরানের শহীদ সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় বা শেষকৃত্য অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে কূটনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিল।