ইরান মূলত তাদের বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ, অভ্যন্তরীণ সামরিক প্রযুক্তির আত্মনির্ভরশীলতা, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে প্রক্সি নেটওয়ার্ক এর কারণে এত শক্তিশালী আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বছরের পর বছর পশ্চিমা অর্থনৈতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশটি নিজের শক্তিমত্তা টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে আর যার নেতৃত্বে এবং অবদানের জন্য এটি সম্ভব হয়েছে তিনি আজ আর নেই আমাদের মাঝে শহিদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোর একটি হলো হরমুজ প্রণালী, যার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে।বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২১ শতাংশ এই সংকীর্ণ প্রণালী দিয়ে পার হয়। ইরান যেকোনো সময় এটি বন্ধ করে দেওয়া মানে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়া যা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধে আমরা দেখছি।
ইরানের বিশাল পাহাড়ি ভূখণ্ড এবং আয়তন যেকোনো দেশের জন্য সরাসরি সামরিক আক্রমণ চালানো অত্যন্ত কঠিন করে তোলে। ইরান মাটির নিচে ও পাহাড়ের গভীরে ‘মিসাইল সিটি’ এবং ড্রোনের গোপন ঘাঁটি তৈরি করেছে, যা আমেরিকা ইসরায়েলের বিমান হামলার পরও সুরক্ষিত আছে। কিন্তু ট্রাম্প দাবি করে বলেছেন ইরানের গোলা বারুদ সব ধংস করা শেষ। এদিকে IRGC ঘোষণা করেছে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সমূহ থেকে সুরক্ষিত এই সব কিছু সম্ভব হয়েছে সর্বোচ্চ নেতার কারণে যার জন্য আজ লাখও ইরানির চোখের জলে ভেসে ওঠেছে তেহরানের মসজিদ সমূহের বিদায় চিত্র কিশোর কিশোরী থেকে বয়স্ক মানুষের প্রার্থনা।