Daily Crisis BD | ধর্ম ও সমাজ ডেস্ক
সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অবিচার দূরীকরণের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, “জুলুম নয়, ইনসাফ”এই আদর্শই হতে হবে প্রতিটি মানুষ ও রাষ্ট্রের মূলনীতি।
ধর্মীয় পরিভাষায় ‘জুলুম’ বলতে বোঝায় অন্যায় করা, অবিচার করা বা কোনো বস্তুকে তার প্রাপ্য স্থানে না রাখা। শরীয়ত অনুসারে, মানুষের রক্ত, সম্পদ বা অন্যান্য অধিকারে সীমালঙ্ঘন করা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, যেখানে ন্যায়ের জায়গায় অন্যায় করা হয়, সেখানে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, ‘ইনসাফ’ হলো জুলুমের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থাৎ ন্যায় বিচার করা, প্রত্যেক বিষয়কে তার যথাযথ স্থানে রাখা এবং প্রাপ্যকে তার অধিকার দেওয়া। ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও নিরাপত্তা ফিরে আসে।
ধর্মীয় আলেম ও সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইনসাফ শুধু আদালত বা প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; বরং প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব হলো নিজে ইনসাফী হওয়া এবং অন্যকে ইনসাফের পথে উৎসাহিত করা।
মূসা কাউসার বলে…..
“যখন সমাজে জুলুম বাড়ে, তখন মানুষের হৃদয় থেকে শান্তি সরে যায়। কিন্তু ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে, আল্লাহর রহমত ও সমাজের স্থিতি ফিরে আসে।
তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র সবার মধ্যে ইনসাফের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।
“জুলুম নয়, ইনসাফ” এই বার্তাই হোক ন্যায়ের সমাজ গঠনের অঙ্গীকার।
লেখা: ধর্ম ও সমাজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৫
সূত্র: ডেইলি ক্রাইসিস বিডি