যারা বলেন মব শুরু হয়েছে ৫ আগষ্টের পর, তাদের জন্য কিছু ছবি দেওয়া হলো। এগুলো কি মব নয়?
তথাকথিত সংস্কৃতি কর্মী ও বুদ্ধিজীবীদের চোখে এগুলো মব নয়। কারণ ‘মব’ শব্দটি তারা পরিচিত করিয়েছে আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে ছোট করে দেখানোর জন্য।
আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ লাখ লাখ মানুষ আওয়ামী মবের স্বীকার হয়।
আওয়ামীলীগ বিগত ১৭ বছর মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত ‘ক্রসফায়ার’ বা বন্দুকযুদ্ধের গল্প সাজিয়ে প্রায় দুই হাজারের বেশি মানুষ হত্যা করেছে।
রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ কাউকেই বাদ রাখেনি আওয়ামী সন্ত্রাসী’রা। টক-শো কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংস্কৃতি কর্মীদের কখনোই দেখবেন না এই ভয়ানক মব সন্ত্রাস নিয়ে কিছু বলতে। এমনভাবে বলবে যেনো মব সন্ত্রাসের জনক জুলাইপন্থী’রা। আওয়ামী লীগ কখনোই মব করেনি।