একটি সুস্পষ্ট আগ্রাসন হিসেবে সিরিয়া সরকারের নীরবতা ও সম্মতির সুযোগ নিয়ে, দখলদার শাসকগোষ্ঠীর প্রধানমন্ত্রী ‘বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু’ তার মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এবং সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে তিনি সিরিয়ার জাবাল আল-শেখ এলাকায় উপস্থিত হন এবং ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর সেই পুরনো ও ভিত্তিহীন বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করেন।
সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বক্তব্য দেন। নেতানিয়াহু দাবি করেন যে, তেহরানের ইসলামিক রিপাবলিক শাসনব্যবস্থা পতনের খুব কাছাকাছি রয়েছে এবং এই আঞ্চলিক প্রতিরোধ অক্ষটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়বে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইসরায়েল তার সীমান্তে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী প্রতিষ্ঠা করতে দেবে না এবং ইরানের এই সরকারকে পরাস্ত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সিরিয়ার এই কৌশলগত বাফার জোন ও জাবাল আল-শেখ অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। নেতানিয়াহুর এই সফর ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।