অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ক্লিয়ার করে জানানো হয়েছে যে, আগামী সোমবারই তিনি ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে রওনা দেবেন।
পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সরাসরি হোয়াইট হাউসে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর মুখোমুখি হবেন তিনি। দুই নেতার এই হাই-প্রোফাইল সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বেশ বড় ধরনের সমীকরণ বদলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এই সফরকে ঘিরে ইসরায়েলের ভেতর এবং সীমান্তেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দেশটির ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ এরই মধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে হাই-অ্যালার্টে রয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং ইরানের সাথে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ধারণা করা হচ্ছে, এই আলোচনা থেকেই পরবর্তী যৌথ সামরিক কৌশল বা বড় কোনো সিদ্ধান্তের রূপরেখা আসবে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের পর এই প্রথম সামনা-সামনি বসছেন নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প। বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই যাতে এই যুদ্ধ ইসরায়েলের সীমানায় ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়েই মূলত দুই নেতার যৌথ পরিকল্পনা নিয়ে কথা হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অন্দরে এবং ট্রাম্পের কাছের মানুষদের মধ্যেও নেতানিয়াহুর বর্তমান যুদ্ধকৌশল নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে এবারের এই ওয়াশিংটন সফর বেশ কূটনৈতিক ও সংবেদনশীল এক মোড়েই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।