নওগাঁ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নওগাঁর আমপ্রধান বাগানগুলো মুকুলে ছেয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার গাছে মুকুল বেশি এসেছে, যা ভালো ফলনের আভাস দিচ্ছে। বাগানমালিকরা আশায় বুক বেঁধেছেন।
নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির বাগানে এবার আমচাষ হয়েছে। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ৩০,৫০০ হেক্টর জমির বাগানে আমচাষ করা হয়েছে, যা গত বছরের ৩০,৩০০ হেক্টরের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি।
সারি সারি আমগাছে হলুদ আর সবুজ মিশ্রণভরা মুকুলের শোভা চোখে পড়ছে। বিশেষ করে বড় ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল এসেছে। বসতবাড়ি ও রাস্তার পাশে থাকা গাছগুলোতেও মুকুলের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সাপাহর উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানা জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় এবার তার বাগানে ৮০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। একইভাবে পোরশা উপজেলার মর্তুজা মাহাতাব এবং সাইদুর রহমান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার মুকুল ঝরে পড়ার ঝুঁকি কম।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হুমায়রা মণ্ডল জানান, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও ঘনকুয়াশার অনুপস্থিতিতে মুকুল এখনও ঝরে পড়েনি। চাষিদের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বাগানমালিকরা বলছেন, মুকুলের সঙ্গে গুটি আসার সময়টায় রোদ ঠিকমতো থাকায় ছত্রাকের আক্রমণ কম এবং ফলনের আশা বেশি। তবে বালাইনাশক ও শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কারণে আমচাষের খরচ বাড়ছে।