যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলার পর ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কৌশলগত হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, ওমান ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সমাপ্ত ঘোষণা করার পর এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত নতুন করে শুরু হলো।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) জানিয়েছে, “অননুমোদিত রুট” ব্যবহার করার অপরাধে তারা সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান এই রুটটি সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে।
হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলবর্তী শহরগুলোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি লক্ষ্য করে অন্তত ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তীব্র বোমাবর্ষণ সম্পন্ন করেছে।
মার্কিন বোমাবর্ষণের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও রাডার স্টেশন লক্ষ্য করে তীব্র ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইরান সরাসরি বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, ওমান এবং জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।
ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এক বিবৃতিতে বলেছেন, একতরফা চুক্তির দিন শেষ। অন্যদিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই অঞ্চল থেকে মার্কিন হস্তক্ষেপ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার এবং আরও কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।