আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চ উপলক্ষে গতকাল রাজধানীর মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি এবং লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি এবং ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম; প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের; কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম; কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান এবং এডভোকেট হেলাল উদ্দিন; কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও জনাব ইয়াছিন আরাফাত, পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানছুরসহ স্বাস্থ্য ও আইটি বিভাগের দায়িত্বশীলবৃন্দ।
বৈঠকে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের প্রস্তুতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং দিক নির্দেশনা প্রদান করেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে লাখো নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য শাখাসমূহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন; নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি রোধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত উদ্বোধনী সমাবেশ করে লংমার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পাঁচটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে এবং রংপুর জিলা স্কুল মাঠে গিয়ে সমাপনী সমাবেশ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে দেশবাসী ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি এই লংমার্চ সফল করতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। সকল রাজনৈতিক দল, সরকার, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, সড়ক বিভাগসহ সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।