ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহান আল্লাহ তাআলা ইসলামের মধ্যে মানবজীবনের সব সমস্যার সমাধান ও দিকনির্দেশনা রেখেছেন। এ নির্দেশনার মূল উৎস আল কুরআন। ভূমিকম্প, মেঘের গর্জন, ঝড়-তুফান আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির নিদর্শন। এমন দুর্যোগের সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.)।
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত দোয়া তিনবার পড়বে, সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে—
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামা-ই, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।
অর্থ: আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যার নামে শুরু করলে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
ভূমিকম্পের সময় মাটির দিকে তাকিয়ে বেশি বেশি এই তাসবিহ ও কালিমা পড়ার কথাও উল্লেখ আছে—
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু। ফাবি আইয়্যে আ’লা-ই রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান।
এছাড়া দুর্যোগ ও বিপদের সময় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পড়া যায়, যা সূরা আল-আরাফ-এর ১৫৫ নম্বর আয়াতের অংশ—
উচ্চারণ: আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফির লানা ওয়ারহামনা, ওয়া আন্তা খাইরুল গাফিরিন।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অভিভাবক। আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই সর্বোত্তম ক্ষমাকারী।
ইসলামে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, তওবা-ইস্তিগফার করা এবং বেশি বেশি দোয়া করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।