ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এবং গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালীর ওপর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের শতভাগ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং ওয়াশিংটন এটি নিজের দখলেই রাখবে।
মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধকে সবাই ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, এটি ভাঙার বা এর বিরুদ্ধে কিছু করার ক্ষমতা ইরানের নেই।
ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের কোনো নৌবাহিনী নেই, কোনো বিমানবাহিনী নেই, তাদের অবশিষ্ট সৈন্যরা বেতন পায় না, এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে এবং পালিয়ে বেড়াচ্ছে, আর তাদের নেতৃত্ব অনিশ্চিত! তাদের কোনো টাকা নেই – তাদের দেশ শেষ হয়ে গেছে।
আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে ট্রাম্প ইরানি শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করতে চাইছেন না এখন বরং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চান, যা তিনি মার্কিন জনগণের কাছে একটি ব্যক্তিগত বিজয় এবং তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার-নির্বাচন হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।