ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন, গত ১২ ঘণ্টায় সৌদি আগ্রাসন তীব্র হয় এবং ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় বহু বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলাগুলোর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সানা।
সৌদি আরবের এই বিমান হামলাগুলো মূলত হুথি বিদ্রোহীদের একটি বড় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসেছে। হুথিরা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরানের বিভিন্ন বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল, যাতে অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন।
খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা এফ-১৫ (F-15) যুদ্ধবিমান এবং তায়েফের কিং ফাহদ বিমানঘাঁটি থেকে আসা টাইফুন (Typhoon) যুদ্ধবিমানগুলো ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৪৮ বার হামলা চালিয়েছে।
আল-জাওফ, মারিব, তাইজ, আল-হুদাইদাহ, সা’দা এবং আল-বায়দা প্রদেশগুলো ছিল এই ব্যাপক হামলার লক্ষ্যবস্তু। এই ধারাবাহিক আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব ও শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।