ঢাকা: ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফলাফল আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় একযোগে প্রকাশ করা হবে।
ফল দেখার জন্য প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (xiclassadmission.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর হোমপেজে থাকা View Result অপশনে ক্লিক করে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। সবশেষে নির্দিষ্ট ক্যাপচা কোডটি পূরণ করে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী কোন কলেজে নির্বাচিত হয়েছে তা স্ক্রিনে দেখতে পাওয়া যাবে।
মঙ্গলবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন শুরু হয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় শেষ হয়।
ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এবার মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন।
শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি প্রদান করে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এ ছাড়া কলেজে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আসনের ৭ শতাংশ কোটায় রাখা হয়েছে। কলেজগুলোর মোট আসনের বাকি ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা সনদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কোটার আসন খালি রাখা যাবে না মেধাতালিকা থেকে ওই আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।
অন্যদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে সংশ্লিষ্ট কোটার প্রার্থীদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।