ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং ধাহরানসহ বেশ কিছু কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে আরামকোর সদর দপ্তর, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদের আরামকো তেল শোধনাগারকে তাদের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করে সাধারণ মানুষকে সেসব এলাকা থেকে অবিলম্বে সরে যাওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন।
ধাহরানে আরামকোর মূল কমপ্লেক্সে বিকট বিস্ফোরণের পর সেখানে আগুন ধরে যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
হামলাটি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে হয়েছে নাকি সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশেই ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করার পর তার জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষ পড়ে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে—তা এখনও সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষেপণাস্ত্রের কিছু ধ্বংসাবশেষ কাছের একটি আবাসিক এলাকায়ও আছড়ে পড়েছে।