ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির আহ্বান
ওয়াশিংটন
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের ওপর পূর্বঘোষিত ব্যাপক আকারের হামলা অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করতে সম্মত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ ঘোষণার পর যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে United Nationsসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
মূল প্রতিবেদন
ইরানের সুপ্রিম সিকিউরিটি কাউন্সিলও যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
United Nations-এর মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় সকল পক্ষকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তার মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে তাদের বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হবে এবং স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করতে যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী অনুসরণ করতে হবে।”
অস্ট্রেলিয়া যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ-এর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “অস্ট্রেলিয়া চায় যুদ্ধবিরতি বহাল থাকুক এবং সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধান হোক।”
নিউজিল্যান্ড-ও যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও সতর্ক করে বলেছে, শান্তি নিশ্চিত করতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি আছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স-এর মুখপাত্র বলেন, “যদিও এটি উৎসাহব্যঞ্জক খবর, একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে আগামী দিনগুলোতে জরুরি অনেক কাজ বাকি আছে।”
জাপান যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, সংকট নিরসনে আরও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে দেশটি।
ইরাক-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাচ্ছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও টেকসই সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
পাকিস্তান-এর প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সর্বত্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তবে পরে ইসরাইল জানায়, দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়।