ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। সেই সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের কয়েকটি আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঢাকা-১২ আসন:
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২ আসন থেকে নাম প্রত্যাহার করেছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও আকবর শাহ-পাহাড়তলী আংশিক):
প্রাথমিকভাবে মনোনয়নপ্রাপ্ত কাজী সালাউদ্দিনের পরিবর্তে চূড়ান্ত প্রার্থী হয়েছেন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। শনিবার সকালে তিনি সীতাকুণ্ডে নিজের বাড়িতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
চট্টগ্রাম-১০ ও চট্টগ্রাম-১১:
প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম-১০ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১১ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনে নতুন প্রার্থী হয়েছেন সাইদ আল নোমান, বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে।
যশোরের ছয়টি আসন:
চারটিতে প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে।
- যশোর-১ (শার্শা): মফিকুল হাসান তৃপ্তির পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন নুরুজ্জামান লিটন।
- যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া): ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ূবের পরিবর্তে মতিয়ার রহমান ফারাজী প্রার্থী।
- যশোর-৫ (মণিরামপুর): প্রাথমিক প্রার্থী অ্যাড. শহীদ ইকবাল হোসেনের পরিবর্তে জোটভুক্ত মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাস।
- যশোর-৬ (কেশবপুর): কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের পরিবর্তে প্রার্থী হয়েছেন আবুল হোসেন আজাদ।
পিরোজপুর-১ (নাজিরপুর, পিরোজপুর সদর ও জিয়ানগর):
চূড়ান্ত প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। এর আগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার, যাকে প্রবীণ ও অসুস্থতার কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিএনপির এই পরিবর্তন স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দল জানিয়েছে, এটি নির্বাচনী কৌশল ও প্রার্থী মানসিকতা বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।