স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী বীর ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়ের রাজনৈতিক ইতিহাস নয়; এটি দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের কঠিন সংগ্রামের এক অবিনশ্বর দলিল। ঐতিহাসিক এই প্রেক্ষাপটকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটির শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো গণমানুষের রাজনৈতিক সংগ্রাম, বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ, বুকভাঙ্গা বেদনা, সাহসিকতা এবং তাদের সুপ্ত গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতির পাতায় স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা।
তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের ইতিহাস যেন কোনোভাবেই বিকৃত না হয় এবং তা যেন সবসময় সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সংরক্ষিত থাকে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশের আগামী প্রজন্ম স্বাধীন বাংলাদেশের এই কঠিন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রকৃত ইতিহাস জানতে, উপলব্ধিজাত করতে এবং তা নিজেদের চেতনায় ধারণ করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।