জলাবদ্ধতা নিরসন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দি মানুষের দুর্দশা লাঘবে আওয়ামীলীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি’র একই সূর এবং একই আচরণকে দূ:খজনক বলে অভিহিত করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
অবিলম্বে সরকারি গবেষণা সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং অতীতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা দূরীকরণসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ বাবদ যতটাকা লুটপাট হয়েছে তার শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানান তিনি। আজ দুপুর ১২ টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনের বিজয়-৭১ চত্বরে এবি পার্টি আয়োজিত ‘বন্যা ও জলাবদ্ধতায় বিপন্ন মানবতার ভোগান্তি ও দুর্ভোগ’ শীর্ষক গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, যার কষ্ট, সে-ই কষ্ট বোঝে। যাদের কষ্ট হয় না, তারা মানুষের দুর্ভোগ উপলব্ধি করতে পারে না। সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা ও বন্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ বছরের পর বছর হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও জনগণ তার সুফল পায়নি। এই অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে, কারা দায়ী,মেয়র, প্রশাসক, মন্ত্রী, সচিব কিংবা ঠিকাদার সবকিছুর নিরপেক্ষ তদন্ত করে জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে রাজনীতি নয়, সমাধানের রাজনীতি করতে হবে। আওয়ামীলীগের আমলে নগরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যয় করা ১৩০০৪ কোটি টাকা ও ইন্টেরিম সরকারের সময় ব্যয় হওয়া ৩৪৫ কোটি টাকার পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিএনপি সরকার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন জন্য ২ হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার যে বাজেট বরাদ্দ করেছে তা ব্যয়ের পরিকল্পনা জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানান তিনি।
সরকারি দলের মন্ত্রী ও এমপিদের কথা ও আচরণের সমলোচনা করে জনাব মঞ্জু বলেন, বিএনপির মন্ত্রী ও নেতারা আচরণ ও কথাবার্তায় তারেক রহমানকে অনুসরণ না করে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে অনুসরণ করছে। তাদের উচিত নিজের নেতার চলন বলেন আচরণে যে নমনীয়তা তা অনুসরণ করা।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কেন শিক্ষার্থীদের প্রতিবার রাজপথে নেমে তাদের ন্যায্য দাবি আদায় করতে হবে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই জনগণের সমস্যা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হচ্ছে কেন? এরও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।