আপাতদৃষ্টিতে জুলাইয়ের যে স্পিরিট ছিল, সেটা এত দিনে কিছুটা কমে গেছে বলে মনে হয়। কিন্তু প্রথাগত রাজনীতির প্রতি মানুষের যে অনাস্থা এবং পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা—এইটা একটা রিয়েল ফেনোমেনন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে। তারা আর আগের মতো সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন হয়ে থাকতে চায় না। তারা নাগরিক অধিকার চায়। সম্মান চায়। আজাদি চায়। আইডেন্টিটি চায়। সুশাসন চায়।
এই জায়গা থেকেই জামায়াতের প্রতি মানুষ এখন আগ্রহী হয়ে উঠতেছে। জামায়াত যদি এইটা প্রপারলি নেভিগেইট করতে পারে, তাহলে একটা টোটাল প্রজন্মের ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা সম্ভব। যেইরকম করে শিবির ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীদের পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে।
বিএনপির এই জায়গায় জামায়াতের সাথে কম্পিটিশান করার চ্যালেঞ্জ হইল তার দলের কোয়ালিটি। এরা কবর জিয়ারত করতে গেলেও একজন আরেকজনের সাথে বিশ্রীভাবে ধাক্কাধাক্কি করে। তার সাথে আবার ডানপন্থী ভারতবিরোধী অবস্থান থেকে বিএনপি কিছুটা সরে আসতে চাইতেছে। এইটাও বিএনপির ভোট কমাবে। তবে বিএনপির আগে থেকেই একটা বড় ভোট ব্যাংক আছে। জামায়াতের চাইতে বিএনপির সাথে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বেশি আছে। সব মিলিয়ে এবার নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে, যেইটা আমাদের সামনের দিনের জন্য অত্যন্ত ভালো।
যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হয়; যেই জিতুক এই নির্বাচনে, বাংলাদেশ অনেকখানি এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।