আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, এক সময় সোসাইটির গ্রিপ ছিল এলিটদের হাতে। তারা ইস্যু তৈরী করতো।তারা সিলেক্ট করতো কোন ইস্যুতে কীভাবে তারা রিএক্ট করবে, কাকে ধরবে, কাকে ছাড়বে। তাদের ইচ্ছেমতন যেকোনো ইস্যুতে তারা সমাজকে গলাচিপে ধরতে পারতো, কারণ ক্ষমতার ভরকেন্দ্রের ওপর তাদের শক্ত নিয়ন্ত্রণ ছিল।
এই বাস্তবতায় জুলাই বিপ্লব একটি মৌলিক পরিবর্তন এনেছে। বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সোসাইটির গ্রিপ এখন ছাত্র-জনতা তথা বিপ্লবীদের হাতে এসেছে, এবং স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতার ভরকেন্দ্রও তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে।
বিপ্লবী শক্তির নৈতিক ও আধ্যাত্মিক পতনের ফলে এবং সাংগঠনিক ব্যর্থতায় নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ কিংবা শক্তি এখনো শক্ত হয়ে দাড়াতে পারেনি। সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। সেজায়গায় দাঁড়িয়ে জামায়াত বিপ্লব-পরবর্তী সমাজকে সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছে। সে কারণেই তারা সোসাইটির গ্রিপ পুনর্গঠনে সক্ষম হচ্ছে। ছাত্র-জনতার ভাষা ও আবেগকে ধারণ করতে তারা সক্ষম হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তারা বিপ্লব ও বিপ্লবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তরিক, স্পষ্ট এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার শক্তিই এ দেশ পরিবর্তনের আসল হাতিয়ার। বুঝে-শুনে ভোট দিন। আমার ভোট- জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ জোটে।
1 Comment
Maximize your income with our high-converting offers—join as an affiliate!