ইরান এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সকল গতিবিধির ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ।
বুধবার তার এক্স অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে গালিবাফ বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সকল গতিবিধির ওপর, বিশেষ করে সৈন্য মোতায়েনের ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছি।
গালিবাফ ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যেন তারা ইরানের “দেশ রক্ষার সংকল্প” পরীক্ষা করতে না আসে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকার ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। তেহরান যখন তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে ছিল, ঠিক তখনই এই দুটি সংঘাত শুরু হয়।
চলমান আগ্রাসনের প্রথম দিনে তেহরানের বাসভবননে লক্ষ্য করে চালানো এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনেই নিহত হন।
এর জবাবে, ইরান জাতিসংঘ সনদের ৫১ নং অনুচ্ছেদের অধীনে আত্মরক্ষার সহজাত অধিকারের কথা উল্লেখ করে ইসরায়েলি অবস্থান ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর সুনির্দিষ্ট প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় এবং সতর্ক করে দেয় যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ১,০০০ থেকে ২,০০০ প্যারাসুট সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে। মূলত এর প্রতিক্রিয়াই ইরান এই নজরদারির কথা জানিয়েছে।