ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে যে, আঞ্চলিক ঘটনাবলীর সাথে সঙ্গতি রেখে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আরও সৈন্য ও সরঞ্জাম পাঠিয়ে তার সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা এবং একজন মার্কিন কর্মকর্তার মতে, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান এবং আক্রমণকারী বিমান এসে পৌঁছেছে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান যে, আগামী দিনগুলোতে মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন থেকে আরও ১,৫০০ থেকে ২,০০০ সৈন্য এই অঞ্চলে পাঠানো হতে পারে।
নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ তার সহযোগী জাহাজগুলোসহ মার্চের শেষে ভার্জিনিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে আটলান্টিক মহাসাগরে রয়েছে।
নৌবাহিনীর আরেকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউএসএস বক্সার তার সহযোগী জাহাজ এবং ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটসহ মার্চের মাঝামাঝি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে রয়েছে। জাহাজগুলোর ওই এলাকায় পৌঁছাতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে “প্রকৃত চুক্তি” বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী অবস্থান পরিবর্তন করবে না। এই উপস্থিতির মাধ্যমে মূলত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা হচ্ছে