Daily Crisis BD | নিজস্ব প্রতিবেদক
গত ১৬ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ ঠাকুরগাঁও সফরে যান সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জেনারেল ওয়াকার। স্থানীয় প্রশাসন বা সেনা সূত্র কেউই আগে থেকে এ সফরের বিষয়ে অবহিত ছিলেন না। সফরের উদ্দেশ্য ও সময়সূচি পুরোপুরি গোপন রাখা হয়।
সূত্র জানায়, ঠাকুরগাঁও শহরের পাশে একটি পরিত্যক্ত ভবনে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গোপন বৈঠক করেন জেনারেল ওয়াকার। বৈঠকের সময় ভবনের চারপাশে বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা টহলে ছিলেন এবং কাউকে আশেপাশে যেতে দেওয়া হয়নি।
বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঐ বৈঠকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে এখনো সরকারি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সেখানে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কিত গুরুতর বিষয় আলোচনায় উঠে আসে।
ঢাকায় ফেরার একদিন পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেনারেল ওয়াকারকে চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করা হয়। ওই নির্দেশে উল্লেখ করা হয়—যদি তিনি সেনাবাহিনীর দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত “মাহফিয়া সম্প্রদায়কে” বিচারের আওতায় আনতে ব্যর্থ হন, তবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ছাড়াই এমন গোপন বৈঠক কেন এবং কী উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হলো?
দেশব্যাপী নানা আলোচনার মধ্যে জনগণের দাবি উঠেছে জেনারেল ওয়াকারকে দ্রুত চাকরিচ্যুত করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার।
এ বিষয়ে সেনা সদর দপ্তর কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
📍Daily Crisis BD
(ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা প্রতিবেদকের সহায়তায় প্রস্তুত)