বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এ দেশে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার যে উদ্দেশ্যে কাজ করছে, সেক্ষেত্রে আমাদের একমাত্র আদর্শ হচ্ছেন মুহাম্মদ (স.)। তাঁর আদর্শের একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন আসহাবে রাসূল (স.), যারা মজবুত ঈমানের পাশাপাশি অসংখ্য গুণে সমৃদ্ধ ছিলেন। জাহেলিয়াতে আচ্ছন্ন এ সমাজে জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সাহাবায়ে কেরামের ন্যায় ঈমানের দৃঢ়তা নিয়ে দ্বীন কায়েমের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আজ ৬ জুন শনিবার বরিশাল অঞ্চল জামায়াত আয়োজিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। দেশের জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায়। জনগণের কাছে জামায়াতে ইসলামীর যেসব নেতৃত্ব খুবই পরিচিত, সেই জেলা নেতৃবৃন্দ আজকের প্রোগ্রামে উপস্থিত। সুতরাং জেলা আমীর, সেক্রেটারি ও কর্মপরিষদ সদস্য ভাইদের ময়দান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সমাজের জন্য কাঙ্ক্ষিত নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে এখন জামায়াতের দায়িত্বশীলদের রাজনৈতিক ময়দানে যেমন যোগ্যতার সঙ্গে ভূমিকা রাখতে হবে, তেমনি কথা ও কাজের মাধ্যমে জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, একজন মুমিনের কাছে আখেরাতের সফলতাই হলো চূড়ান্ত সফলতা।