বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “২৫ জুন ২০২৬ তারিখে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় ‘গুপ্ত’ কর্মকর্তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার মাদরাসা শিক্ষকরা শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে যে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতার পেছনে ‘গুপ্ত জামায়াত অনুসারি’ কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার যে কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে, তার সাথে বাস্তবতার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদনের বিষয়ে আমরা দেশবাসীকে স্পষ্ট করে জানাতে চাই, একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সর্বদা মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও শিক্ষকদের নায্য অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছে। অথচ এই রিপোর্টে সুকৌশলে জামায়াতকে মাদরাসা শিক্ষা বিদ্বেষী হিসেবে চিত্রায়িত করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক বিশ্বাসে ফাটল ধরানো এবং দল দুটির মধ্যে কৃত্রিম বিরোধ সৃষ্টি করাই এই রিপোর্টের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি প্রশাসনিক বা বাজেট সংক্রান্ত জটিলতাকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ওপর দায় চাপানোর এই চেষ্টা সম্পূর্ণ তথ্যপ্রমাণহীন ও হলুদ সাংবাদিকতার শামিল।
এডভোকেট জুবায়ের আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, এ ধরনের সস্তা ও কাল্পনিক গল্প ফেঁদে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন করা যাবে না। একই সাথে, কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়া এই বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য দৈনিক ইনকিলাব কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছি এবং দেশবাসীকে এই ধরনের হীন রাজনৈতিক অপপ্রচার ও গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।”