পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সেনাবাহিনীর ২৫০টি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের আহ্বানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দাবি নয়, বরং একটি জাতীয় নিরাপত্তাগত প্রয়োজন।
বিশ্লেষক সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনী যখন নিজেই পার্বত্য এলাকায় স্থায়ী ক্যাম্প বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে, তখন সেটি বাস্তবভিত্তিক নিরাপত্তা মূল্যায়নের ফল। এ প্রেক্ষাপটে কেউ যদি এ আহ্বানকে উপেক্ষা করে, তবে তা দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে।
তারা আরও বলেন, সরকার যদি এই প্রস্তাবে বিলম্ব করে বা বাস্তবায়ন না করে, তবে এর দায় সেনাবাহিনীর উপর নয়, বরং তাদের উপরই পড়বে যারা জাতির প্রতিরক্ষা বলয়কে শক্তিশালী করতে ব্যর্থ হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন, জাতীয় অখণ্ডতা কেবল ভাষণ বা রাজনৈতিক বক্তব্যে রক্ষা করা যায় না; এর জন্য প্রয়োজন মাটিতে কার্যকর উপস্থিতি, পদক্ষেপ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি। পার্বত্য অঞ্চল শুধু একটি ভৌগোলিক এলাকা নয়, এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত সুরক্ষার মূল স্তম্ভ।
তাদের মতে, স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, সন্ত্রাস দমন, এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বিতর্কে নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত।