ইস্তাম্বুলের আদালতের এই পরোয়ানায় যেসব ইসরাইলি কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির, সেনাপ্রধান লেফটেনেন্ট জেনারেল ইআয়াল জামির, নৌবাহিনী কমান্ডার ডেভিড স্যার সালামা। তবে পরোয়ানাভুক্ত সবার নাম প্রকাশ করেনি তারা।তুরস্ক এ ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে’ গাজায় ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ’ চালানোর অভিযোগ এনেছে।মার্চে গাজা ভূখণ্ডে ‘তুর্কি-ফিলিস্তিনি মৈত্রী হাসপাতালে’ বোমাবর্ষণসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি, অবরোধ ও গাজাবাসীর জন্য মানবিক সহায়তা আটকে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডকে অভিযগের পক্ষে যুক্তি হিসেবে হাজির করেছে আঙ্কারা। এ ‘তুর্কি-ফিলিস্তিনি মৈত্রী হাসপাতালটি’ তুরস্ক বানিয়ে দিয়েছিল।ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিজে) যে মামলা করেছে তুরস্ক গত বছর তাতেও শামিল হয়েছে।‘যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের’ অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও (আইসিসি) গত বছর নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।ইস্তাম্বুলের আদালতের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে হামাস তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “এই সিদ্ধান্ত তুরস্কের সরকার ও জনগণের ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে তাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের প্রতীক। ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের হাতে আধুনিক ইতিহাসের ভয়াবহতম গণহত্যার শিকার হচ্ছে।”হামাস বিশ্বের সকল দেশ ও আদালতকে আহ্বান জানিয়ে বলেছে, “ইসরাইলি নেতারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করুন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের বিচারের আওতায় আনুন।”
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি, স্বাগত জানাল হামাস
Related Posts
ডেইলিক্রাইসিস বিডি
আপডেটের জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
আমাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের
সর্বশেষ খবর জানতে সাবস্ক্রাইব করুন
Office Address
29, Toyenbee Circular Road (5th Floor),
Dainik Bangla Moore,
Motijheel C/A, Dhaka-1000