নিউজ রিপোর্ট:
২০১৮ সালেই প্রথম গণঅভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছিলেন ড. কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান। সময়ের ব্যবধানে সেই ডাক রূপ নেয় দৃঢ় প্রত্যয়ে। ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর মৌখিক ঘোষণা এবং ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি প্রকাশিত ১০ পাতার লিখিত ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় জুলাই আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান। তিলে তিলে সংগঠিত সেই আন্দোলন পরিণত হয় এক মহাবিপ্লবে যার পরিণতিতে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা।
ড. কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান বলেন ঘোষণাপত্র অনুযায়ী গণঅভ্যুত্থান সফল হলেও সেই বিজয় ছিনতাই করা হয়েছে। জনগণের রক্ত, ত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে সুবিধাবাদীরা আন্দোলনের ফসল কুক্ষিগত করেছে বলে তিনি মনে করেন। এই প্রেক্ষাপটে তিনি আবারও ঘোষণা দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থান চলমান, এবং এটি তৃতীয় গণঅভ্যুত্থান হিসেবে অতিসত্বর সফলতার দ্বারপ্রান্তে।
ড. কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান স্পষ্ট করে বলেন, যারা গণঅভ্যুত্থান ছিনতাই করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে দেশের জন্য একটি নতুন সংবিধান রচনা, বিদেশি আধিপত্যের অবসান, এবং সকল দেশদ্রোহী শক্তিকে আইনের মুখোমুখি করার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
তার ভাষায়, এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় এটি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সংগ্রাম। জনগণের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এই গণঅভ্যুত্থান থামবে না।”
দেশজুড়ে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। সমর্থকদের মতে, এটি অসমাপ্ত বিপ্লবকে সম্পূর্ণ করার আহ্বান; আর সমালোচকদের চোখে এটি সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। এক কথায়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও অগ্নিগর্ভ অধ্যায়ের সূচনা ঘটেছে।