মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে শত্রুর বারবার আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে কুয়েতে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনী তাদের চলমান প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে ‘অপারেশন লাইটনিং’-এর ২১তম অভিযান পরিচালনা করেছে।
কয়েক ঘণ্টা আগে পরিচালিত এই বিশাল ড্রোন হামলায় পশ্চিম কুয়েতের দোহা গ্যারিসনে অবস্থিত মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রধান অস্ত্রাগার এবং স্থলবাহিনী কমান্ড সেন্টারের রসদ সরঞ্জামকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
উল্লেখ্য, দোহা হলো পশ্চিম কুয়েতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং পশ্চিম এশিয়ায় উপস্থিত আমেরিকান সৈন্যদের জন্য একটি মূল সহায়তা কেন্দ্র।
এই ঘাঁটিতে নৌ ও বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মার্কিন স্থলবাহিনীর সামরিক সরঞ্জাম ও সৈন্য মোতায়েন রয়েছে।
চলমান সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন আগ্রাসী পদক্ষেপের জবাব দিতেই ইরান এই ধারাবাহিক অপারেশন পরিচালনা করছে।
এই বিশেষ ধাপ বা ২১তম পর্যায়ে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের মতো আঞ্চলিক দেশগুলোতে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাবাহিনীর রাডার সিস্টেম, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যোগাযোগ কেন্দ্র এবং লজিস্টিক অবকাঠামোগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।
ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো নতুন ষড়যন্ত্র ও দুঃসাহসিকতার দাঁতভাঙা জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক উত্তেজনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে আল জাজিরা-এর প্রতিবেদন এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এর নিয়মিত বুলেটিনগুলো পর্যালোচনা করা যেতে পারে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্যের জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ (Pentagon)-এর অফিশিয়াল পোর্টাল ভিজিট করা যেতে পারে।