ডাকসু, জাকসু, রাকসুসহ অন্যান্য ছাত্র সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হলেও জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অজুহাত দেখিয়ে শাকসু ও ব্রাকসু নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন বাঁধাগ্রস্ত করা একই সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার শামিল। শিক্ষার্থীদের ভোটে ছাত্রশিবিরের নির্বাচিত হওয়ায় ঈর্ষান্বিত কোনো মহলের রাজনৈতিক প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না—জনমনে সেই প্রশ্ন ওঠাও আজ অস্বাভাবিক নয়।
আমরা একটি নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রভাব ও পক্ষপাতমুক্ত নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচন প্রত্যাশা করি। কিন্তু সাম্প্রতিক একাধিক কর্মকাণ্ডে কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গণতন্ত্র চর্চা বাঁধাগ্রস্ত করা এবং নির্দিষ্ট কোনো মহলের প্রতি পক্ষপাতমূলক অবস্থান গ্রহণ করলে দেশের ছাত্রসমাজ ও সর্বস্তরের জনতার কাছে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করা হবে।