ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটকেন্দ্র এলাকায় মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি প্রত্যাহারের পর এবার মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, কার ইশারায় এবং কার প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে— তা জাতির সামনে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ মানে সবাইকে মোবাইল বাসায় রেখে আসতে হবে। এমনকি মোবাইল জার্নালিজম বা সিটিজেন জার্নালিজমও অনুমোদিত নয়। ফলে ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার তথ্য বা ফুটেজ কারও কাছে থাকবে না।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর ভর করে এই ‘নব্য ফ্যাসিজম’ জাতির ওপর কারা চাপিয়ে দিচ্ছে।
ইসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে সাদিক কায়েম তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কারা দেশের তরুণদের ভয় পায় এবং কারা নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার কেড়ে নিতে চায়— সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।
দেশের তরুণদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘আপনাদের হাতেই জুলাই হয়েছে, আপনাদের হাতেই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব।’
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, ইসি কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য নয়, বরং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়েছে। তাই অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।