ঢাকা, ১০ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে ঈদযাত্রায় জ্বালানি তেলের রেশনিং ভোগান্তি বাড়াতে পারে এবং ভাড়া নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করতে পারে। সমিতি ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দেশের যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা নিশ্চিত করতে জ্বালানি সরবরাহে কোনো বাধা থাকা উচিত নয়।
গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য সীমা নির্ধারণ করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার, এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০–২৫ লিটার, ডিজেলচালিত পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০–৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০–২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি দেওয়া যাবে। রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার তেল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঈদে ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রায় ১.৫ কোটি মানুষ গ্রামের বাড়িতে যাবেন। এছাড়া দেশের এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আরও ৩–৪ কোটি মানুষের যাতায়াত হতে পারে। সমিতি মনে করছে, এতে বিভিন্ন যানবাহনের বিপুল ট্রিপ সংখ্যা তৈরি হবে এবং রেশনিং পদ্ধতি কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “পরিবহনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জ্বালানি থাকা প্রয়োজন। সীমিত জ্বালানি সরবরাহের কারণে কিছু অসাধু পরিবহন মালিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নিতে পারে। এছাড়া যানজট ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ট্রিপ ব্যাহত হতে পারে।”