দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও তেহরান সতর্ক অবস্থানে
তেহরান
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-কে সতর্ক করে বলেছে, তাদের হাত ‘বন্দুকের ট্রিগারেই রয়েছে’। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পরিষদ জানিয়েছে, শত্রু পক্ষের সামান্যতম ভুলেরও জবাব পূর্ণ শক্তিতে দেওয়া হবে।
মূল প্রতিবেদন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ইরানের সুপ্রিম সিকিউরিটি কাউন্সিল। তবে পরিষদ সতর্ক করে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি মানে যুদ্ধের সমাপ্তি নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পুনরায় জোর দিয়ে বলা হচ্ছে যে, এর অর্থ যুদ্ধের সমাপ্তি নয়। আমাদের হাত ট্রিগারের ওপরেই রয়েছে এবং শত্রুপক্ষের পক্ষ থেকে সামান্যতম ভুল হলেও তার জবাব পূর্ণ শক্তিতে দেওয়া হবে।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। যুদ্ধের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জনগণের আত্মত্যাগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে উল্লেখ করেছে, “এখন আমরা ইরানের মহান জাতিকে এই সুসংবাদ দিচ্ছি যে, যুদ্ধের প্রায় সকল লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং আপনাদের সাহসী সন্তানেরা শত্রুকে ঐতিহাসিক অসহায়ত্ব ও স্থায়ী পরাজয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে।”
তেহরান নিশ্চিত করেছে, আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের আলোচনায় বসবে এবং তা দুই সপ্তাহ ধরে চলবে। ইরান এটিকে ‘রণক্ষেত্রে শত্রুর আত্মসমর্পণ’ আখ্যা দিয়েছে। যদি আলোচনায় যুদ্ধবিরতি একটি চূড়ান্ত রাজনৈতিক সাফল্যে পরিণত হয়, তবে তারা ‘মহান ঐতিহাসিক বিজয়’ উদযাপন করবে। অন্যথায়, সকল দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে যাবে।