তুরুস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তুরস্কের নিজস্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সিরিয়ার যুদ্ধের সময় প্রায় ৪০ লক্ষ সিরীয় শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছিল তুরস্কে। তাদের বিশেষ পরিচয়পত্র (Kimlik) দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। শুরুতে অনেকেই এর বিরোধিতা করেছিলেন, নিরাপত্তার শঙ্কাও ছিল প্রবল। কিন্তু অল্প সময়েই তুর্কি জাতি তাদের আপন করে নেয়, আর সিরীয়রাও তুরস্ককে ভালোবেসে তার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে শুরু করে। যুদ্ধ শেষে বহু সিরীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন — আর আজ সিরিয়া-তুরস্ক বাণিজ্য নতুন উচ্চতায়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রুদ্ধ, উন্মুক্ত-কারাগারসম জীবন আর ভাসানচরের নিঃসঙ্গ বন্দিত্ব দেখে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। তাঁর আহ্বান ছিল স্পষ্ট — তাদের মুক্তভাবে বাঁচতে দিন। বিশ্ব তখন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবে, আর দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল পাবে বাংলাদেশই।
কথাগুলো ভাবতে ভাবতে মনে হলো — আমাদের জ্বাতীও তো স্বাধীনতা যুদ্ধে উদ্বাস্তু ছিলো। মুহাজির ও আনসারের সেই মহান ইতিহাস আমরা সবাই জানি; মক্কা থেকে মদিনায় আশ্রয়প্রার্থীদের আনসাররা বুকে টেনে নিয়েছিলেন নিজেদের সামান্য সম্বল ভাগ করে নিয়ে। তবে আমরা কেন পারব না?
আমাদের হাতে হয়তো অল্পই আছে। কিন্তু মহান আল্লাহর ভান্ডার অফুরান — তিনিই বরকত দেবেন। ইনশাআল্লাহ।