বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই (J-10CE) মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান বেইজিং সফরকালে এই সামরিক চুক্তিটি বড় ধরনের গতি পাবে এবং আগামী আগস্টের মধ্যে এটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বিমানের মডেল – ৪.৫ প্রজন্মের অত্যাধুনিক জে-১০সিই (J-10CE) মাল্টি-রোল ফাইটার জেট।
বিমানের সংখ্যা – মোট ২৪টি যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
আনুমানিক ব্যয় – এই সম্ভাব্য চুক্তির মোট মূল্য প্রায় ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭,০৬০ কোটি টাকা) প্রতিটি বিমানের ভিত্তি মূল্য প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি।
পরিশোধ প্রক্রিয়া– সম্পূর্ণ অর্থ একবারে না দিয়ে ১০টি অর্থবছরে ধাপে ধাপে পরিশোধ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০৩৫-৩৬ অর্থবছর পর্যন্ত চলবে।
চুক্তির ধরন – এটি সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে সরাসরি বা ‘সরকার-টু-সরকার’ (G2G) চুক্তির আওতায় সম্পন্ন হতে পারে।
এই চুক্তির পাশাপাশি ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নের মতো দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া বাকি রয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ভারসাম্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাকিস্তানের পর বাংলাদেশও এই বিমান সংগ্রহ করায় আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রতিবেশী দেশগুলো।