স্টাফ রিপোর্টার
শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সর্দি-কাশি, ফ্লু, নিউমোনিয়া, অ্যাজমা ও বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ। চিকিৎসকদের মতে সচেতনতা এবং সঠিক জীবনযাপনই পারে শীতকালীন রোগঝুঁকি কমাতে। নিচে শীতে সুস্থ থাকার কার্যকর কিছু টিপস তুলে ধরা হলো—
✔ ১. পুষ্টিকর ও উষ্ণ খাবার গ্রহণ
শীতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই গরম স্যুপ, সবজি, ডিম, মাছ, ডাল, দুধ ও ফলমূল খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। ভিটামিন–সি ও ভিটামিন–ডি সমৃদ্ধ খাবার সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
✔ ২. পর্যাপ্ত পানি পান
শীতে তৃষ্ণা কম অনুভূত হলেও শরীর হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। নিয়মিত পানি না খেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। দিনে অন্তত ৬–৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত।
✔ ৩. উষ্ণ পোশাক পরিধান
ঠান্ডা বাতাসে সরাসরি সংস্পর্শে এলে সর্দি-কাশির সম্ভাবনা বাড়ে। বাইরে বের হলে অবশ্যই সোয়েটার, স্কার্ফ, ক্যাপ, মোজা ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।
✔ ৪. ভিড় ও ধুলাবালু এড়িয়ে চলা
শীতে ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়। অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলা এবং ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। বিশেষ করে শিশুরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ—তাই তাদের অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।
✔ ৫. হাত পরিষ্কার রাখা
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচতে নিয়মিত হাত ধোয়া সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিগুলোর একটি। খাবার খাওয়ার আগে ও বাইরে থেকে ফেরার পর অবশ্যই সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
✔ ৬. পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়াম
শীতে ক্লান্তি ও অলসতা বাড়ে। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম এবং নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
✔ ৭. গরম পানির গার্গল ও ভাপ
গলা ব্যথা বা সর্দি শুরু হলে গরম পানির গার্গল ও ভাপ নেওয়া দ্রুত উপশম দেয় এবং সংক্রমণ ছড়ানো কমায়।
✔ ৮. প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ
শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সামান্য জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।