বিএনপি- ৩৪.৭%
জামায়াত- ৩৩.৬%
এনসিপি- ৭.১%
অন্যান্য- ৪.৫%
সিদ্ধান্তহীন- ১৭%
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা: ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩। যদি ৮০% ভোট কাস্ট হয়, তবে ভোটের পরিমাণ: ১০ কোটি ২১ লাখ ৫৬ হাজার ১৪৬।
জরিপ অনুযায়ী দলগুলোর ভোটের পরিমাণ:
বিএনপি- ৩৪.৭% (৩ কোটি ৫৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৮২)
জামায়াত- ৩৩.৬% (৩ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৬৫)
এনসিপি- ৭.১% (৭২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮৬)
ইসলামী আন্দোলন- ৩.১% (৩১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৪০)
অন্যান্য- ৪.৫% (৪৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ২৬)
সিদ্ধান্তহীন- ১৭% (১ কোটি ৭৩ লাখ ৬৬ হাজার ৫৪৪)
আসন প্রতি ভোটের হিসাব:
বিএনপি (ধানের শীষ)- ৩৪.৭% (১ লক্ষ ১৮ হাজার ১৬০)
জামায়াত (দাড়িপাল্লা)- ৩৩.৬% (১ লক্ষ ১৪ হাজার ৪১৪)
এনসিপি (শাপলা কলি)- ৭.১% (২৪ হাজার ১৭৬)
ইসলামী আন্দোলন (হাতপাখা)- ৩.১% (১০ হাজার ৫৫৬)
অন্যান্য- ৪.৫% (১৫ হাজার ৩২৩)
সিদ্ধান্তহীন- ১৭% (৫৭ হাজার ৮৮৮)
অন্যান্য ও সিদ্ধান্তহীন ভোটকে যদি সমান ভাগে ভাগ করে দেই, তাহলে আসনপ্রতি বিএনপি (ধানের শীষ) ও জামায়াত (দাড়িপাল্লা) ৩৬ হাজার ৬০৫ ভোট করে পাবে।
এই হিসেবে আসনপ্রতি:
বিএনপির (ধানের শীষ) ভোট হবে: ১,১৮,১৬০ + ৩৬,৬০৫ = ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬৫।
জামায়াত (দাড়িপাল্লা) জোটের ভোট হবে: ১,১৪,৪১৪ + ২৪,১৭৬ + ১০,৫৫৬ + ৩৬,৬০৫ = ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৭৫১।
জামায়াত (দাড়িপাল্লা) বাদ দিয়ে জোটের ভোট: ২৪,১৭৬ + ১০,৫৫৬ = ৩৪ হাজার ৭৩২, এখানে যদি অন্যান্য ও সিদ্ধান্তহীন ভোটকে যুক্ত করে দেই, তাহলে দাঁড়ায়: ৩৪,৭৩২ + ৩৬,৬০৫ = ৭১ হাজার ৩৩৭।
এখন সম্ভবত,
বিএনপি (ধানের শীষ) থাকবে প্রায় ২৯০ আসনে। আর জামায়াত (দাড়িপাল্লা) থাকবে ১৯০ আসনে। যেসব আসনে জামায়াত (দাড়িপাল্লা) নাই, সেসব আসনে বিএনপি (ধানের শীষ) টপকে জিততে জোটের বাকিদের (জামায়াত বাদে বাকি সবার ভোটকে একসাথে ধরে) এনশিউর করতে হবে মিনিমাম ৮৩ হাজার ৪২৯ ভোট (১,৫৪,৭৬৫ – ৭১,৩৩৭) + ১।
হিসেব জটিল। ধামাকা ইলেকশন হতে যাচ্ছে। আসুন, উপভোগ করি আর অবশ্যই গণভোটে হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করি।