আইনসম্মতও নয়। কারণ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে যে নির্বাচন করা যায় না- এটা সর্বজনবিদিত। এমতাবস্থায় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা অবস্থায় যারা নির্বাচন করেন বা করতে চান,
তারা যেমন অনৈতিক কাজ করেন; তেমনি এই বিষয়টা জানার পরও যারা তাদের মনোনয়ন দেন তারাও নৈতিকভাবে সঠিক অবস্থানে আছেন বলে মনে করি না। এরকম একটি বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত যাওয়াটাই দুঃখজনক। এমনও তথ্য জেনেছি যে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার দুদিন আগেও জনাকয়েক প্রার্থী নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করেছেন।
প্রচারণার পুরো সময়টা দ্বৈত নাগরিকত্ব জিইয়ে রেখে শেষ মুহূর্তে কেন আবেদন করা হবে? নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর শুরুতেই বিষয়গুলো সুরাহা করা জরুরি ছিল। এটাই বিবেকের দায়। তাছাড়া জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে এটুকু আমরা প্রত্যাশা করতেই পারি।