ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই দুই দিনের সম্মেলনে মূলত অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আবহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বিশ্ব জ্বালানি বাজারকে প্রভাবিত করছে, যা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিস্তারিত আলোচনা করছেন।
ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য সহজ করার জন্য নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এর লক্ষ্য হলো মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) মধ্যে উত্তেজনা এবং গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান। ইরান এই বৈঠকে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যা জোটের অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে স্পষ্ট করছে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে রাশিয়ার সের্গেই লাভরভ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচি সহ অন্যান্য ব্রিকস সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।