মির্জা গালিব তার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, দরকার হইলে ঋণ করেন, কিন্তু ঋণের টাকা দিয়া হাসিনার মত বড় বড় প্রজেক্ট কইরা টাকা মাইরা খাইয়েন না প্লিজ। হাসিনা যখন ২০০৯-এ ক্ষমতায় আসে তখন বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলারের মত, আর ২০২৩-এ ঋনের পরিমাণ বেড়ে দাড়িয়েছিল ১০০ বিলিয়ন ডলার। চার গুণ বেশি।
তিনি আরও লিখেন, ২০১২ সালের দিকে বাংলাদেশকে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের মত ঋণ পরিশোধ করতে হইত। আর ২০২৪-২৫-এ ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে হয়েছিল ৪ বিলিয়ন ডলার। এইটাও আগের চাইতে চার গুণ বেশি। ব্যাংক দখল, খেলাপি ঋণ, উন্নয়ন প্রকল্প — এই সবের মধ্য দিয়ে যেই টাকা তারা চুরি করত, সেইটা পরে ডলারে বিদেশে পাচার করত। আর সেই ডলারের সাপ্লাই ঠিক রাখার জন্য সরকার বাইরে থেকে ডলারে ঋণ করত।
পরিশেষে তিনি লিখেন, আর এই সব টাকা পাচারের কারনেই দেশে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকত। দিনের শেষে এই পাচারের টাকা আপনার-আমার পকেট কাইটাই আসলে নিত। হাসিনার সময়ের এই ডাকাতি আমরা আবার নতুন করে চাই না।