৯ জুন মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের জনবান্ধব বাজেট প্রসঙ্গে বলেন, এটি একটি বাজেট নয়, এটা বাজেটের পূর্ব ধারণা। এখান থেকে যদি সরকার ভালো কিছু পিকআপ করেন, জনগণ উপকৃত হবে এটা কোনো দলের বিষয় নয়। আমরা এই বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না। এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের জন্য হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যে প্রস্তাবনাটা জনগণের সামনে পেশ করব- এটার শর্ত আছে। শর্তগুলো হলো-এই বাজেট বাস্তবায়নের জন্য সততা, স্বচ্ছতা লাগবে, জবাবদিহিতা লাগবে। সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার যদি নিশ্চিত করা যায়।
আমরা মনে করি যে বাজেট প্রস্তাবনা আমরা করব সেটা অবশ্যই অর্জনযোগ্য। কিন্তু যদি সততা, স্বচ্ছতা এবং অ্যাকাউন্টেবিলিটি না থাকে, তাহলে বাজেট যে সরকারই দিক না কেন, ওই বাজেট কার্যকর হবে না।
তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তাবনায় আরও কিছু বিষয় থাকবে। সেটা এখানে এবং সংসদে। আমাদের অর্থবছর হচ্ছে জুলাই টু জুন। জুন মাস, বর্ষা খড়া, দুর্যোগ, সাইক্লোন- এগুলোতে সাধারণত আমাদের দেশ আক্রান্ত হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা লক্ষ্য করি, এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসের তাড়াহুড়ো করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। একটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণলুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। কিছু অসৎ সুবিধাভোগীর পকেটে সুফল চলে যায়। আমাদের অর্থবছরটি ক্যালেন্ডার বছরের সাথে মিলিয়ে করা হোক আমরা সংসদে সেই প্রস্তাব দেব। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলো ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না। এই টাকাগুলোর খবর পাওয়া যাবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, নিয়ম রয়েছে বাজেট পুরো হওয়ার মিনিমাম তিন মাস আগে সম্পূরক বাজেট সংসদে পেশ করতে হবে। কিন্তু আমরা সম্পূরক বাজেট পাবই শেষ মাসে। বৈধ অবৈধ, ন্যায্য-অন্যায্য সব খরচ হয়ে গেল। কালো টাকা সাদা হয়ে একাকার হয়ে গেল। তারপরে সম্পূরক বাজেট সংসদে আসল, তাতে জনগণের লাভ কি?