খুলনা, ২০ জুন ২০২৬ শনিবার।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আজ ১১ দলীয় জোটের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের জনগণ যে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় তারই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। জনগণের এই প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী লাখো মানুষের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি।
অ্যাডভোকেট রানা আরও বলেন, রাজনৈতিক সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। জনগণের রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব গণআকাঙ্ক্ষাকে হতাশ করবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি তৈরি করবে।সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, এডিপির প্রেসিডেন্ট কর্ণেল অবঃ অলি আহমদ ( বীর বিক্রম) ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সংগঠক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ।
এবি পার্টির এই নেতা আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন এবং জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের রায় বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গড়িমসি গ্রহণযোগ্য নয়।
বক্তারা বলেন, জুলাই সনদ কেবল একটি রাজনৈতিক দলিল নয়; এটি নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা। তাই দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে সকল পক্ষকে এর বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক কর্মী, পেশাজীবী এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।