উপশিরোনাম:
জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের সময়ের ওয়ারেন্টভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক |ঢাকা Daily Crisis BD
“অপরাধীর আবার জাতপাত কি? সে যে-ই হোক না কেন, তার পরিচয় একটাই সে একজন অপরাধী। আইন নিজস্ব গতিতেই চলবে, এবং আইনের প্রতি সবাইকে শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।”
এমনই দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত বিশ্লেষক ও প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস আজিজ (অব.)।
তিনি বলেন, “আইন ও বিচার ব্যবস্থাকে উপহাস করা বা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অপরাধীরা সেনা, রাজনীতিক বা প্রশাসনের কেউ হোক সবাইকে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।”
বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের গণবিপ্লব চলাকালীন সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, হত্যাচেষ্টা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে অভিযুক্ত কিছু সেনা কর্মকর্তার বিষয়ে তিনি সরাসরি মন্তব্য করেন। ফেরদৌস আজিজ বলেন,
যারা জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যারা আন্দোলন দমন করতে রাষ্ট্রীয় শক্তি অপব্যবহার করেছে , তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিতে হবে। দেশ ও জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা সবার আগে।”
তিনি আরও বলেন, “আইন যদি দুর্বল হয়, ন্যায়বিচার যদি বিলম্বিত হয়, তাহলে জনগণের আস্থা নষ্ট হয়। তাই সময় এসেছে অপরাধী যেই হোক না কেন, তার বিচারের আওতায় আসার।”
ফেরদৌস আজিজের এই বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন বিপ্লবের সময় জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কিছু সেনা কর্মকর্তার বিচার নিশ্চিত করার দাবিকে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে
👉 রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার কি শেষ পর্যন্ত হবে?
👉 আইন কি সত্যিই সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব?
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফেরদৌস আজিজের এই বক্তব্য নিঃসন্দেহে ন্যায়বিচারের দাবিতে একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছে।
🕊 Daily Crisis BD
“ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের পথে।”