চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মোড় নিয়েছে। ওভাল অফিসে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, চলমান সামরিক সংঘাতে তীব্র ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে তেহরান পর্দার আড়ালে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে এখন মরিয়া হয়ে বৈঠকের চেষ্টা চালাচ্ছে। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এখন এক অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে রয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তেহরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি এবং চলমান সংঘাত নিরসনে আন্তরিক ও অর্থপূর্ণভাবে প্রস্তুত না হয়, তবে মার্কিন প্রশাসন এখনই কোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে জড়াতে আগ্রহী নয়। ওয়াশিংটনের সাফ কথা—আগে সমস্যার স্থায়ী ও সৎ সমাধান, এরপরই অন্য কিছু।
বৈঠকে কেবল কূটনৈতিক আলোচনার প্রসঙ্গই আসেনি, বরং কঠোর সামরিক হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুথিদের যেকোনো ধরনের অবরোধের অপচেষ্টা শক্ত হাতে দমন করবে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে, তেহরানের কঠোর মনোভাবের জবাব দিতে খুব শীঘ্রই ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার টানেল কমপ্লেক্সে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।