প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন। সচেতন মুসলিম হিসেবে ভোট প্রদানের আগে জানা জরুরি, ইসলামে ভোট দেওয়ার গুরুত্ব ও দায়িত্ব কী।
১. ভোট মানে সাক্ষ্য দেওয়া
ইসলামের দৃষ্টিতে ভোট দেওয়া মানে শাহাদাত বা সাক্ষ্য প্রদান করা। ভোটদাতা যাকে ভোট দেন, তিনি তার যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন উপযুক্ত বলে সাক্ষ্য দিচ্ছেন।
- ন্যায় ও ইনসাফের সঙ্গে সাক্ষ্য প্রদান প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ।
- মিথ্যা সাক্ষ্য ও পক্ষপাতভিত্তিক ভোট হারাম।
- কোরআন ও হাদিসে মিথ্যা সাক্ষ্যের নিন্দা এবং কঠোর শাস্তির বর্ণনা আছে।
২. ভোট মানে সুপারিশ
ভোট প্রদানের মাধ্যমে ভোটদাতা প্রার্থীর পক্ষে সুপারিশ করছেন।
- সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিলে সুপারিশের সওয়াব পাওয়া যায়।
- অযোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিলে অবৈধ কাজের জন্য সুপারিশ এবং তার ফলাফলে পাপের অংশ ভোগ করতে হবে।
৩. ভোট অর্থ উকিল নিয়োগ
ভোটদান মানে প্রার্থীকে উকিল বা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া।
- জাতীয় দায়িত্বের ক্ষেত্রে যোগ্য ও সৎ প্রতিনিধির নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।
- অযোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিলে জাতির অধিকার নষ্ট হয়।
৪. ভোট হলো আমানত
ভোটদানের মাধ্যমে ভোটদাতা তার আমানত উপযুক্ত স্থানে পৌঁছে দিচ্ছেন।
- উপযুক্ত প্রার্থীকে ভোট দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে আমানত রক্ষা।
- অযোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিলে আমানতের খিয়ানত, যা হারাম।
উপসংহার:
ভোট দেওয়ার বিষয়টি কেবল “যাকে খুশি তাকে দেওয়া” নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে ভোট দিতে হলে যোগ্য, সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ প্রার্থীকে ভোট দেওয়া জরুরি।