প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬
রমজান মাসের রোজা প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর ফরজ। কেউ যদি অসুস্থতা, সফর বা ইচ্ছাকৃত কারণে রোজা ভাঙেন, তবে কাজা এবং কাফফারা আদায় করা আবশ্যক। কাফফারা আদায়ের দুটি মূল পদ্ধতি রয়েছে: ধারাবাহিকভাবে ৬০ দিন রোজা রাখা বা ৬০ জন দরিদ্র ব্যক্তির জন্য দুই বেলার খাবার দেওয়া।
রোজা ভঙ্গের শর্ত ও কাজা
রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ। সিরাফ শরঈ কারণে যেমন অসুস্থতা বা সফর থাকলে রোজা ভঙ্গ করা যায় এবং পরে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে কাজা রাখার অনুমতি আছে।
কিন্তু কেউ গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে ফেলে—যেমন পানাহার বা যৌনমিলন—তাহলে তার ওপর কাজা ও কাফফারা ওয়াজিব।
কাফফারা আদায়ের প্রথম পদ্ধতি: ধারাবাহিক ৬০ দিন রোজা
- ৬০ দিন মাঝে কোনো দিন ভেঙে না রেখে ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখা
- যদি কোনোদিন রোজা ভেঙে ফেলা হয়, তবে নতুনভাবে ৬০ দিন শুরু করতে হবে
- ৬০ দিন সফলভাবে রোজা রাখলে কাফফারা আদায় হয়ে যাবে
কাফফারা আদায়ের বিকল্প: দরিদ্রদের জন্য খাবার প্রদান
যারা ৬০ দিন ধারাবাহিক রোজা রাখতে অক্ষম:
- ৬০ জন দরিদ্রকে দুই বেলা খাবার করানো
- অথবা ৬০ জনের দুই বেলার খাবারের মূল্য দান করা
- উদাহরণ: যদি সদকায়ে ফিতরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ১১০ টাকা হয়, তবে ৬০ জনের জন্য ৬৬০০ টাকা দান করলে কাফফারা আদায় হবে
গুরুত্ব
রোজা ইসলামের মূল পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম।
- কোনো অসুস্থতা, অসুবিধা বা অবহেলায় রোজা ছুটে গেলে জলদি কাজা করা এবং কাফফারা আদায় করা জরুরি
- আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা আবশ্যক