রংপুর অফিস | প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬
যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে রংপুরে পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস। এ উপলক্ষে নগরীর নিসবেতগঞ্জে অবস্থিত ‘রক্ত গৌরব’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের স্মরণ করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন
শনিবার সকালে রংপুর নগরীর নিসবেতগঞ্জে অবস্থিত ‘রক্ত গৌরব’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আব্দুল মোতালেব সরকার। তিনি শহিদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
উপস্থিত অতিথিরা
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
- রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম
- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলী
- জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান
- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন
- রংপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম
এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
রংপুর মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ মিয়া এবং সদস্য-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
ঐতিহাসিক পটভূমি
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ বাঁশের লাঠি ও তীর-ধনুক নিয়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করেন।
সে সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে শত শত মানুষ শহিদ হন।
দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একদিকে গৌরবোজ্জ্বল, অন্যদিকে বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।