হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ফ্লাইওভারসহ উন্নয়ন কাজ চলমান, ভবিষ্যতে ৬ লেনের সম্ভাবনাও বিবেচনায়
ঢাকা
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত করার কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। জাতীয় সংসদে এক সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মূল প্রতিবেদন
জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনার সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী Sheikh Robiul Alam জানান, মহাসড়কটি ২০২৯ সালের মধ্যে চার লেনে উন্নীত করা হবে।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় পার্টির সেক্রেটারি আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীর উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় রুট। ইতোমধ্যে এটিকে চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। “হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ফেজ-১)” এর আওতায় ২৬.২১ কিলোমিটার অংশ চার লেনে উন্নীত করার জন্য ডিপিপি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ৬ লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। অবশিষ্ট প্রায় ৪৮ কিলোমিটার অংশের জন্য বর্তমানে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে জাইকার (JICA) সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী স্বীকার করেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি দুর্ঘটনাপ্রবণ একটি রুট। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাজ করছে।
সংসদে ৭১ বিধিতে উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের মাধ্যমে মহাসড়কটিকে জরুরি ভিত্তিতে ছয় লেনে উন্নীত করার দাবি জানান সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, সমুদ্রবন্দর ব্যবহার, পর্যটন ও সীমান্ত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এই মহাসড়কের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এটিকে ছয় লেনে উন্নীত করার বিষয়টিও পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সংসদে আলোচনায় অংশ নেওয়া অন্যান্য সদস্যরাও দ্রুত ও নিরাপদ সড়ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
সূত্র
- জাতীয় সংসদ কার্যবিবরণী
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়