রিপাবলিকান সিনেটর টড ইয়ং জোর দিয়ে বলেছেন যে,ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসনকে অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন (War Powers Resolution) বা যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেসকে জানাতে হয় এবং অনুমোদন ছাড়া ৬০ দিনের বেশি সেই অভিযান চালানো যায় না। তবে বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা নিয়ে এক বিতর্কিত অবস্থান নিয়েছে।
ট্রাম্প সরাসরি বলেছেন যে তিনি এই আইনকে “অসাংবিধানিক” মনে করেন। অন্যদিকে, অনেক আইনপ্রণেতা মনে করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী সামরিক পদক্ষেপের জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন (AUMF) বাধ্যতামূলক।
ডেমোক্র্যাট এবং কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা এই ব্যাখ্যাকে “বেআইনি” ও “নজিরবিহীন” বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, যুদ্ধবিরতি চললেও মার্কিন বাহিনী ওই অঞ্চলে অবস্থান করছে এবং অবরোধ বলবৎ রাখছে, যা অভিযানেরই অংশ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কংগ্রেসকে চিঠিতে জানিয়েছেন যে, ৭ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে সক্রিয় শত্রুতা বা “hostilities” সমাপ্ত হয়েছে । এই যুক্তিতে তিনি দাবি করছেন যে ৬০ দিনের সময়সীমা এখন আর প্রযোজ্য নয় বা এটি ‘রিসেট’ হয়ে গেছে, তাই তার নতুন করে অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।